ইটিং ডিজঅর্ডারের সাতকাহন

eating disorder - our clear minds
Image courtesy: alittlebitofspice.com

“অল্প খেলে মানুষ মরে না, বেশী খেলে মরে”

ইটিং ডিজঅর্ডার কী?

আমাদের ঠাকুমা দিদিমার কাছে আমরা একটা কথা প্রায়শই শুনে থাকতাম যে “অল্প খেলে মানুষ মরে না, বেশী খেলে মরে”। কথাটা তখন আমরা খুব হাল্কাভাবে নিলেও বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে কাথাটার গূরুত্ব অনেকখানি। আজকাল আমরা অন্যান্য মানসিক সমস্যাকে যতটা গূরুত্ব দিয়ে থাকি, ইটিং ডিজঅর্ডার কে এখনো মানসিক সমস্যা বলে আমরা মানতে চাই না। এই সমস্যা এখনো আমাদের কাছে হাসির খোরাক। প্রায়শই বন্ধুদের মধ্যে কারোর এরকম খাওয়ার সমস্যা থাকলে তাকে রাক্ষস বা পেটুক বলে মজা করে থাকি আমরা। কিন্তু ইটিং ডিজঅর্ডার শুধুই খাওয়ার সমস্যা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ব্যক্তির মানসিক সমস্যা যা সাধারণত আমরা উপেক্ষা করে থাকি। 

ইটিং ডিজঅর্ডার সঠিকভাবে চিকিৎসা করানো না হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সহ মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, বিভিন্ন বয়সে ও লিঙ্গের মধ্যে এই সমস্যা থাকলেও কিশোর কিশোরীদের মধ্যে ও তরুণীদের মধ্যে এই সমস্যা সবথেকে বেশী।

কত ধরণের ইটিং ডিজঅর্ডার হতে পারে?

    1. বিঞ্জ ইটিং ডিজঅর্ডার (Binge eating disorder)
    2. অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা (Anorexia nervosa)
    3. বুলিমিয়া নার্ভোসা (Bulimia nervosa)
    4. আদার স্পেসিফায়েড ফিডিং অ্যান্ড ইটিং ডিজঅর্ডার ((Other Specified Feeding and Eating Disorder) (OSFED))
    5. রেস্ট্রিক্টভ ফুড ইনটেক ডিজঅর্ডার/অ্যাভয়েডেন্ট (Avoidant/restrictive food intake disorder)
    6. অর্থরেক্সিয়া নার্ভোসা (Orthorexia Nervosa)
    7. রুমিনেশান ডিজঅর্ডার (Rumination disorder)
    8. পিকা (Pica)

তবে আজ আমরা প্রধান তিন ধরণের ইটিং ডিজঅর্ডার নিয়ে আলোচনা করব।

বিঞ্জ ইটিং ডিজঅর্ডার (Binge eating disorder)

বেশীরভাগ মানুষের মধ্যে এই ডিজঅর্ডার সবথেকে বেশী দেখা যায়। যাদের মধ্যে এই ডিজঅর্ডার আছে, তারা অল্পসময়ে প্রচুর পরিমাণে খাবার খেতে পারে। খাওয়ার সময় কতটা খাওয়া উচিৎ সেটা তারা মোটেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। সাধারণত অতিরিক্ত মোটা যারা তাদের মধ্যে এই সমস্যা সবথেকে বেশী দেখা যায়। এই সমস্যাটা সাধারণত কিশোর ও তরুণ বয়সে শুরু হয় ও ধীরে ধীরে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে। 

উপসর্গ

    • একবারে প্রচুর পরিমাণে খাবার খেয়ে থাকে, যতক্ষণ না পেট পুরো ভরে যাচ্ছে।
    • খাওয়ার সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, অর্থাৎ যদি বুঝতেও পারে যে একবারে এতটা খাওয়া ঠিক নয়, তাসত্ত্বেও খেতে থাকে।
    • প্রায় প্রত্যেকবারই এমন খাওয়ার পর তাদের মধ্যে একধরণের অপরাধবোধ কাজ করে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না বলে নিজের উপর প্রচন্ড রেগে যায়।
    • নিজের ওজন কমানোর জন্য কোনোরকম শারীরিক পরিশ্রম এরা করে না।
    • অন্যদের তুলনায় খুব দ্রুত খাবার খেতে পারে।
    • ক্ষিদে না থাকলেও জোর করে খেতে থাকে।
    • একা একা খাবার খেতেই বেশী পছন্দ করে কারণ একবারে বেশী পরিমাণে খাবার খায় বলে এরা অন্যদের সামনে লজ্জা পায়।

বুলিমিয়া নার্ভোসা (Bulimia nervosa)

যাদের এই সমস্যা আছে তারাও খাওয়ার সময় কোনোরকম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এরা যেহেতু একবারে অনেকটা পরিমাণে খাবার খেয়ে ফেলে ফলে বেশীরভাগ সময়ই খাবার খাওয়ার পর এদের কষ্ট হয়। 

    • এই অতিরিক্ত ক্যালোরির খাবার খাওয়ার পরে ওজন যাতে না বাড়ে, সেই জন্য তারা বিভিন্ন ধরণের চেষ্টাচরিত্র করে থাকে। যেমন, বমি করে, উপোস করে, জোলাপও অনেক সময় খায়, এছাড়া অতিরিক্ত ব্যায়াম করে থাকে যাতে অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরে যায়। 
    • এরা খাওয়ার পরেই প্রায়ই বাথরুমে গিয়ে গলায় আঙ্গুল দিয়ে বমি করে খাবার বের করার চেষ্টা করে থাকে।  

তবে, যাদের মধ্যে বিঞ্জ ইটিং-এর সমস্যা আছে, তাদের সঙ্গে এদের প্রচুর মিল থাকলেও একটা ব্যাপারে বেশ অমিল লক্ষ্য করা যায়। তা হল এদের সাধারণত যে ওজন থাকার কথা, তাই থাকে। এরা খুব বেশী মোটা বা রোগা হয় না। তবে এই অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে তাদের অন্যান্য অনেক বিষয়ে ভুগতে হয়। যেমন,

    • গলায় ব্যথা হতে থাকে যেহেতু প্রায়ই বমি করে খাবার বের করার চেষ্টা করে থাকে।
    • দাঁতে ব্যথা দেখা যায়।
    • শরীরে ডিহাইড্রেশন বা জলের অভাব  লক্ষ্য করা যায়।
    • হরমোনের সমস্যাও হতে পারে।
    • দাঁতের উপরে যে এনামেল থাকে সেটাও ধীরে ধীরে ক্ষয় পেতে থাকে।

অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা (Anorexia nervosa)

মানসিক রোগের কারণে এখনো পর্যন্ত যত মানুষ মারা গেছে, তাদের মধ্যে সবথেকে বেশী রোগীর মৃত্যু  হয়েছে এই ধরণের খাওয়ার সমস্যার কারণে। এই ধরণের খাওয়ার সমস্যা সাধারণত কিশোর বয়স থেকেই শুরু হয় ও মহিলাদের মধ্যে বেশী দেখা যায়। এই ধরণের সমস্যায় রোগী যতটা সম্ভব কম খাওয়ার চেষ্টা করে।

    • যাদের এই ধরণের সমস্যা আছে তারা সবসময় মনে করে যে তাদের ওজন খুবই বেশী যেখানে তাদের ওজন আসলে খুবই কম। 
    • এরা সবসময় নিজেদের ওজন কতটা বাড়ল তা মাপতে থাকে, বেশী ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলে এবং খুব অল্প পরিমাণে খায়। 
    • এরা সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকে এই বুঝি ওজন বাড়ল। এই ধরণের রোগীদের আত্মবিশ্বাস নির্ভর করে নিজেদের ওজন বাড়া বা কমার উপরে যেটা খুবই ভয়ের কথা। 
    • কী কী ধরণের খাবার খেলে ভালো হয়, সবসময় সেই ব্যাপারে ভাবতে থাকে অথবা খাবার অকারণে মজুত করে রাখে। 
    • এরা সবসময় ডায়েটিং করতে চায়। এরা খাওয়ার সময় খুব অল্প পরিমাণে করে খায়, খাবার লুকিয়ে রাখে বা একাকী খায়। 
    • এরা বেশীরভাগ সময়ে নিজেদের মত একা থাকতে ভালোবাসে। 
    • এদের মধ্যে হতাশা ও অলসতা খুব বেশী পরিমাণে দেখা যায়। 

এই ধরণের সমস্যায় দীর্ঘদিন ভুগতে থাকলে ও সঠিক চিকিৎসা না করালে আরো অনেক ধরণের সমস্যা দেখা যেতে পারে। যেমন, হাড়ের সমস্যা দেখা যায়, বন্ধ্যাত্ব হতে পারে, নখ ভেঙে যায় বা চুল অকারণে প্রচুর পরিমাণে ঝরে যায় অথবা সারা শরীরে অনেকের বেশ ভালো পরিমাণে লোম গজায় । অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন এই সমস্যার কোনো চিকিৎসা করানো না হলে রোগীর হার্ট, ব্রেইন বা মস্তিষ্কে গুরুতর সমস্যা ও মাল্টি অর্গান ফেলিওর হয়ে মৃত্যুর মত ঘটনা ঘটতে পারে।

“ইটিং ডিজঅর্ডার একধরণের মানসিক সমস্যা; কেউ অকারণে বেশী খেতে চায় না”

কী কারণে এই ধরণের সমস্যা হতে পারে?

ইটিং ডিজঅর্ডার খুবই জটিল রোগ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে এই ডিজঅর্ডার জিনগত কারণে হতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, যমজ বাচ্চার মধ্যে যদি একজনের এই সমস্যা দেখা যায় তাহলে সেক্ষেত্রে অন্যজনের প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ সম্ভাবনা আছে যে সেও এই ধরণের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়া neuroticism, perfectionism, and impulsivity এই তিন ধরণের ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য যাদের মধ্যে আছে তাদের মধ্যে এই ইটিং ডিজঅর্ডার হওয়ার সম্ভাবনা খুবই প্রবল। এছাড়া প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজে ডায়েটিং-এর নামে “অতি রোগা হওয়ার” মত একটা জঘন্য রকমের সংস্কৃতির যেভাবে চাষ হচ্ছে, তার প্রভাবে অনেকেই খুব সহজে এই ডিজঅর্ডারের শিকার হচ্ছে ।  

এছাড়া আরো যে যে কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে তা হল

১.  serotonin and dopamine এর প্রভাবে হতে পারে 

২. কোনরকম নির্যাতনের (Abuse)শিকার হলে

৩. কাউকে নিয়মিত বুলি (Bullying)করা হলে

৪. ডায়েটিং করলে

৫. অন্যান্য মানসিক সমস্যা থাকলে

৬. প্রচন্ড চিন্তা বা স্ট্রেস থাকলে

৭. বয়ঃসন্ধির কারণে সমস্যা দেখা দিলে।

এই ইটিং ডিজঅর্ডারের জন্য অন্যতম দায়ী হল আজকের মিডিয়ার প্রচার। বয়ঃসন্ধি কালের ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই মিডিয়ার প্রভাব মারাত্মক এবং তারা যেভাবে অনেকক্ষেত্রেই দায়িত্বজ্ঞানহীনের মত রোগা থাকার একটা সংস্কৃতি যুবসমাজের মধ্যে ঢুকিয়ে দিচ্ছে তাতে তারা নিজেদের দোষ একেবারেই ঝেরে ফেলতে পারে না। তবে এটাও ঠিক যে কারোর এই সমস্যার জন্য শুধুমাত্র মিডিয়ার প্রচার দায়ী নয়, এর সঙ্গে আরো  অনেক পারিপার্শ্বিক কারণ যুক্ত আছে।

say no to anorexia - our clear minds
Image courtesy: wikihow.com

কী ধরণের চিকিৎসা করতে হবে?

যদি তোমারও মনে হয় যে খাওয়ার সময়ে তুমি একদম নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারো না বা সবসময় নিজের ওজন নিয়ে খুবই চিন্তিত ও প্রায় উপোস করে দিন কাটাচ্ছ, তাহলে একটুও দেরী না করে এখনই কোনো সাইকিয়াট্রিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করো। নাহলে এই সমস্যার কারণে ভবিষ্যতে তোমাকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

নিজেকেই নিজে সাহায্য করো

বুলিমিয়া নার্ভোসা বা বিঞ্জ ইটিং ডিজঅর্ডার যাদের আছে তারা নিজেরাই নিজেদের সাহায্য করতে পারে তবে সেক্ষেত্রে তোমাকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সিবিটি/ cognitive behavioral therapy (CBT)-এর সাহায্য নিতে হবে। 

কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি (Cognitive Behavioral Therapy (CBT))

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাপ্তবয়স্ক যারা এই সমস্যায় ভুগছেন, তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য সিবিটি খুবই কার্যকরী থেরাপি। তবে সিবিটি করার জন্য অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। তার সঙ্গে যে ব্যাপারগুলো মেনে চলতে হবে, তা হল-

    • প্রতিদিন নিয়ম মেনে খাওয়া।
    • কতটুকু খেতে হবে সেই নিয়ে একটা পরিকল্পনা বা প্ল্যান তৈরী করা।
    • নিজেকে প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করতে হবে, তবে তা ছক করেও করতে পারো বা বিভিন্ন অ্যাপ পাওয়া যায় সেইগুলোর সাহায্যও নিতে পারো। 
    • এছাড়া কগনিটিভ রিস্ট্রাকচারিং /Cognitive restructuring এর সাহায্য নিতে হবে।

ফ্যামিলি নির্ভর ট্রিটমেন্ট/ Family-Based Treatment (FBT)

শিশু ও কিশোর যারা এই সমস্যায় ভুগছে তাদের জন্য ডাক্তার এফবিটি চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এই চিকিৎসায় পরিবারই চেষ্টা করে যাতে বাচ্চাটা এই সমস্যা থেকে বেড়িয়ে আসতে পারে। সাধারণত, এই চিকিৎসায় বাচ্চাটার কাছে এই রোগটাকে কোনো খারাপ কিছুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। যেমন বাচ্চাটাকে বলা হয় যে বাইরের কোনো অশুভ শক্তি বা রাক্ষস চাইছে যে বাচ্চাটা যেন বেশী পরিমাণে খাবার খায়। ফলে বাচ্চাটা তখন নিজে থেকেই বেশি পরিমাণে খাবার খাওয়া আস্তে আস্তে বন্ধ করে দেয়। 

পুষ্টি সম্বন্ধীয় চিকিৎসা/ নিউট্রিশন থেরাপি 

এই ধরণের চিকিৎসায় একজন ডায়েটিশিয়ান আপনাকে সারা মাসে কী কী ধরণের খাবার কত পরিমাণে খেতে হবে তার একটা তালিকা বা ছক কষে দেয়। আপনাকে সেই অনুযায়ী খাবার খেতে হবে। এর মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

নিজে কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা করব?

ডাক্তার দেখানোর পাশাপাশি তুমি নিজেও যদি নিজেকে ভালো রাখার জন্য বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করো, তাহলে এই সমস্যার হাত থেকে আরো তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে। যেমন, তুমি কোনো গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারো যারা মানসিকভাবে তোমার পাশে দাঁড়াবে যেমন ধরো Eating Disorders Anonymous। এই গ্রুপে তুমি দেখতে পারবে যে তোমার মত আরো কত অসংখ্য মানুষ তোমার পাশে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে সমস্যার মোকাবিলা করছে। 

এছাড়াও যখনই তোমার খুব খেতে ইচ্ছা করবে বা বেশীরভাগ সময়ে ইউটিউবে খাওয়ার বিভিন্ন ভিডিও দেখে যখন তখন খেতে ইচ্ছে করবে, সেটাকে কাটানোর জন্য তুমি অন্য কিছু করার চেষ্টা করতে পারো, 

    • নতুন কোনো শখ তৈরী করতে পারো যেমন ছবি তোলা, আঁকা, সেলাই করা ও বই পড়া।
    • ধ্যান করতে পারো।
    • গান শুনতে পারো, বা যোগব্যায়াম করতে পারো।
    • প্রতিদিন ডায়েরিতে নিজের মনের কথা  লিখতে পারো।

সতর্ক বার্তা

আমাদের অনেকের মধ্যেই ইটিং ডিজঅর্ডারের কিছু কিছু উপসর্গ আছে যদিও তা আমরা মজা হিসাবেই নিয়ে থাকি। কিন্তু জানো কী ইমোশনাল ইটিং বা মন খারাপ থাকলেই বেশী করে খাবার খাওয়ার যে প্রবণতা তা আসলে ইটিং ডিজঅর্ডারের প্রাথমিক লক্ষণ? এবার সময় হয়েছে সাবধান হওয়ার।

Author: Oindrila Dev

Oindrila is a budding content writer from Kolkata. She is also a good dancer and an avid bookworm. Her connection to Our Clear Minds is of a deep and personal nature. Her goal is to help as many people as she can, spreading mental health awareness across India.

6 Replies to “ইটিং ডিজঅর্ডারের সাতকাহন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *